চামড়া খাতে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। কোম্পানিটির সমাপ্ত ২০২২ থেকে ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বাটা সুর পর্ষদ। এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ৩৪০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে হিসাবে সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে মোট ৪৪৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন বিনিয়োগকারীরা। সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বাটা সুর শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ টাকা ৩১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা ২২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাটা সুর ইপিএস হয়েছে ২৯ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ টাকা ৯৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩৭ টাকা ৯৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৬৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাটা সুর পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২৯ টাকা ৯৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫ টাকা ১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫২ টাকা ১৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়াহেল্ডারদের ২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাটা সুর পর্ষদ। এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য ৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা। সে হিসাবে ২০২১ হিসাব বছরে মোট ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে লোকসান হওয়ার কারণে বাটা সু শেয়ারহোল্ডারদের শুধু ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আগের হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন।
১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাটা সুর অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৩০ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।